ভিডিও এডিটিং
RIP CapCut ! গুগল নিয়ে এলো ভিডিও এডিটিং এর নতুন বস! ওয়াটারমার্ক বা টাকা পয়সা ছাড়া এখন প্রফেশনাল এডিটিং হবে চোখের পলকে।
সবচেয়ে বড় কথা এটি ১০০% ফ্রি, কোনো ওয়াটারমার্ক নেই এবং সরাসরি YouTube এর কপিরাইট ফ্রী অডিও লাইব্রেরি কানেক্টেড।
আজকেই ভিডিও বানানো শুরু করতে পারে, সেজন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ টিউটোরিয়ালটা সাজিয়ে দিলাম।
ধাপ ১: অ্যাপ ইন্সটল ও সেটআপ
সবার আগে গুগল প্লে-স্টোর বা অ্যাপল স্টোর থেকে অ্যাপটি নামিয়ে নিন। আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন-ইন করলেই ।
ধাপ ২: প্রজেক্ট ইম্পোর্ট করা
অ্যাপ ওপেন করে প্লাস (+) আইকনে ট্যাপ করুন। আপনার গ্যালারি থেকে ভিডিও ক্লিপ বা ছবি সিলেক্ট করুন। ইন্টারফেসটা এত ক্লিন যে দেখলেই বুঝবেন কোথায় কী করতে হবে।
ধাপ ৩: অডিও ক্লিনআপ
আমরা যারা নয়েজি এনভায়রনমেন্টে ভিডিও করি, তাদের জন্য এটা লাইফ সেভার। ভিডিওর ক্লিপে ট্যাপ করে Audio Cleanup অপশনে ক্লিক করুন। সেকেন্ডের মধ্যে ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ গায়েব হয়ে ভয়েস ক্রিস্টাল ক্লিয়ার হয়ে যাবে। দামী মাইকের অভাব আর ফিল হবে না।
ধাপ ৪: অটো ক্যাপশন বা সাবটাইটেল
ভিডিওতে সাবটাইটেল থাকলে রিচ বাড়ে প্রায় ৪০%। ম্যানুয়ালি লিখা অনেক সময়ের ব্যাপার। এখানে জাস্ট Captions অপশনে ক্লিক করে সোর্স ল্যাঙ্গুয়েজ সিলেক্ট করুন। অ্যাপ অটোমেটিক আপনার ভয়েস শুনে টেক্সট জেনারেট করে দিবে। ফন্ট, কালার বা স্টাইল নিজের মতো কাস্টমাইজও করতে পারবেন।
ধাপ ৫: কপিরাইট ফ্রী মিউজিক
অন্য অ্যাপে মিউজিক অ্যাড করলে ইউটিউবে কপিরাইট খাওয়ার ভয় থাকে। কিন্তু YouTube Create অ্যাপে Sound অপশনে গেলে আপনি ইউটিউবের অফিশিয়াল অডিও লাইব্রেরি পাবেন। হাজার হাজার মিউজিক আর সাউন্ড এফেক্ট সব কপিরাইট ফ্রী এবং সেইফ।
ধাপ ৬: ট্রানজিশন এবং এফেক্টস
ভিডিও বোরিং যাতে না হয়, তার জন্য ক্লিপগুলোর মাঝে Transitions অ্যাড করুন। এখানে ৪০+ প্রফেশনাল ট্রানজিশন আছে। এছাড়াও Speed Control দিয়ে ড্রামাটিক স্লো-মোশন (0.5x) বা ফাস্ট মোশন টাইম-ল্যাপস বানাতে পারবেন এক ক্লিকে।
ধাপ ৭: এক্সপোর্ট এবং আপলোড
কাজ শেষ? থ্রি-ডট মেনু থেকে Export এ ক্লিক করুন। হাই কোয়ালিটি (1080p) সিলেক্ট করে রেন্ডার দিন। মজার ব্যাপার হলো, এখান থেকে আপনি ডিরেক্ট ইউটিউব শর্টস বা মেইন ভিডিও হিসেবে আপলোড দিতে পারবেন।
টাকা আয়ের সুযোগ (Monetization Ideas):
১. YouTube Shorts: প্রতিদিন ১টা করে শর্টস আপলোড দিন। ৩ মাসে ১০ মিলিয়ন ভিউ হলে মনিটাইজেশন অন।
২. Faceless Channel: নিজের চেহারা না দেখিয়ে স্টক ফুটেজ আর ভয়েসওভার দিয়ে ভিডিও বানান।
৩. UGC Creator: বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট রিভিউ ভিডিও বানিয়ে আয় করতে পারেন।
৪. Video Editing Service: বেসিক এডিটিং না জানা মানুষদের জন্য এই অ্যাপ দিয়ে ভিডিও এডিট করে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।
গুগল যেহেতু মার্কেটে নেমেছে, এই অ্যাপ ফিউচারে আরও পাওয়ারফুল হবে।
বিঃ দ্রঃ এ্যাপস টি এখনো বেটা ভার্সনে আছে,বাংলাদেশে এখনো আসেনি। যাদের এই Apps টি খুবই প্রয়োজন তাদেরকে এ্যাপসটি বাংলাদেশের জন্য এভেইলএভেইল হলেই আমি জানিয়ে দিবো ,তারা পোষ্টে কমেন্ট করে রাখুন
Comments
Post a Comment